হাসির ও মজার বাংলা কৌতুক | bengali funny jokes

হাসির ও মজার বাংলা কৌতুক | bengali funny jokes

bengali funny jokes

 

মানসিক হাসপাতালের এক রোগী একমনে কী যেন লিখছেন।

চুপি চুপি পেছনে এসে দাঁড়ালেন ডাক্তার। বললেন, কী হে, চিঠি লিখছেন নাকি?

রোগী: হু।

ডাক্তার: কাকে লিখছেন?

রোগী: নিজেকে।

ডাক্তার: বাহ্! ভালো তো। তা কী লিখলেন?

রোগী: আপনি কি পাগল নাকি মশাই? সবে তো চিঠিটা লিখছি। চিঠি পাঠাব, দুদিন বাদে চিঠিটা পাব, খুলে পড়ব। তারপর তো বলতে পারব কী লিখেছি !


হাসির ও মজার বাংলা কৌতুক


কোলবালিশ আবিষ্কার করেছেন যিনি.........

তিনি আসলে অনেকগুলো বিয়ে করেছিলেন!

আর এর থেকেই তিনি আসলে অনুধাবন

করতে পেরেছিলেন, বউ থেকে কোলবালিশ উত্তম!

কারণ কোলবালিশ পালতে কোন খরচই হয়না!


ফুটবল খেলা আবিষ্কার করেছেন যিনি........... ..

তিনি আসলে পরীক্ষার খাতায় বড় বড় গোল্লা পেতেন!

আরে সহজ জিনিস ম্যান! ওমন বড় বড়

গোল্লা পেতে পেতেইনা ওনার মাথায় গোল জিনিস

দিয়ে গোল দেওয়ার ওই খেলার আইডিয়াটা আসলো!


মজার কৌতুক


পৃথিবীতে সবচেয় কর্মঠ ব্যাক্তি হচ্ছেন

তিনি........... ....

যিনি ঘড়ির এলার্ম আবিষ্কার করেছেন!

আর পৃথিবীতে সবচেয়ে ফাঁকিবাজ ব্যাক্তি হচ্ছেন

তিনি ...............

যিনি ঘড়ির এলার্ম বন্ধ করার সুইচ আবিষ্কার

করেছেন!


স্টেশনমাস্টারকে বলছেন এক লোক, ‘ভাই, সিলেটের ট্রেনটা কখন ছাড়বে?’

‘সাড়ে আটটায়।’

‘আর চট্টগ্রামেরটা?’

‘এগারোটায়।’

‘তাহলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ট্রেনটা যাবে কখন?’

এবার বিরক্ত হয়ে গেলেন স্টেশনমাস্টার ‘আরে এত ট্রেনের খবর নিচ্ছেন, আপনি যাবেন কোথায়?’

‘না, মানে আমি রেললাইনটা পার হয়ে ওপাশের প্ল্যাটফর্মে যাব তো….


চাকরির ইন্টারভিউ..

স্যার> এই মুহূর্তে একতা মিথ্যা বলুন

লোক > আমি জিবনেও মিথ্যা বলি নাই

স্যার > আপনার চাকরি ফাইনাল, দারুন বলছেন

একটা মেয়েকে দেখে একটা ছেলের খুব পছন্দ হলো। ছেলেটি মেয়েটির নাম জানতে ইচ্ছে হলো, কিন্তু সরাসরি বলতে পারছিল না।

তখন মেয়েটিকে প্রশ্ন করলো: আচ্ছা, আপনিকি এমন কাউকে চিনেন যার নাম আর আপনার নাম একই।

মেয়েটি বলল: হ্যাঁ, চিনি।

ছেলে: কী নাম তার?

মেয়ে: (নামটি বলে দিল)।


চরম হাসির কৌতুক


এক লোক রাতের বেলা FTV তে ফ্যাশন শো দেখছিলো…

হটাৎ ছেলে এসে রুমে ঢুকে পড়ল…

অপ্রস্তুত হয়ে লোকটি ছেলেকে বলল, “বেচারা গরীব মেয়েরা, কাপড় চোপড় কেনার পয়সা নাই…”

ছেলেঃ “এর চেয়ে গরীব মেয়ে দেখতে চাইলে,আমার কাছে সিডি আছে,নিয়ে দেখতে পারো…..”


ছেলে : বাবা, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি দুই সমকোণ, এটা কীভাবে প্রমাণ করবো?

বাবা : বলিস কিরে? ওরা এখনও প্রমাণ বার করতে পারেনি? সেই কোন ছেলেবেলা থেকে দেখছি প্রমাণের জন্য ওরা মাথা কুটে মরছে ।


শিক্ষকঃ বলতো কুকুর মুখের বাইরে জিভটাবের করে রাখে কেন?

ছাত্রঃ পেছনের লেজটার সঙ্গে ব্যালেন্স রাখতে ।


কৌতুক বাংলা হাসির

বাবাঃ আজ স্কুলের টিচার কী বললেন?

ছেলেঃ বলেন তোমার জন্য একজন ভালো অংকের টিউটর রাখতে।

বাবাঃ মানে?

ছেলেঃ মানে তুমি হোমওয়ার্কের যে অংকগুলো করে দিয়েছিলে সব ভুল ছিল ।


প্রথম বন্ধুঃ আমার জীবনে একটা ইচ্ছাও পূরণ হল না। তোর কোন ইচ্ছা পূরণ হয়েছে?

দ্বিতীয় বন্ধুঃ হ্যা হয়েছে, ছোটবেলায় স্যারের হাতে চুল টানা খেতে খেতে ভাবতাম চুলগুলো না থাকলেই বুঝি ভালো হত। এখন দেখ, মাথায় একটাও চুল নেই।


মজার বাংলা কৌতুক


ভিক্ষুকঃ মাগো! দুটো ভিক্ষা দিন, মা।

বাড়ির মালিকঃ বাড়িতে মানুষ নেই, যাও।

ভিক্ষুকঃ আপনি যদি এক মিনিটের জন্য মানুষ হন, তাহলে খুব ভালো হতো।


শিক্ষকঃ “আমি তোমারে খুন করবো” এইটার ইংলিশ কি হবে ?

ছাত্রঃ হালার হালা ইংলিশ গিরি ছুটাইতাসি খালি গায়ে হাত লাগায়া দেখা ! 


এক তরুনী দৌড়াতে দৌড়াতে ডাক্তারের কাছে গিয়ে বলল"ডাক্তার সাহেব আজ সকালে ভুল করে আমি i-pill খেয়ে ফেলেছি।এখন কী হবে?"

ডাক্তার:আপনি বেডে শুয়ে পড়ুন আমি দরজা বন্ধ করে আসছি।এখনো হাতে ৭২ঘন্টা আছে।তাছাড়া টাকা দিয়ে কেনা ওষুধ তো আর নষ্ট করা যায় না।


হাসির  বাংলা কৌতুক


অফিসের কর্মচারী আর বসের মধ্যে কথা হচ্ছে

কর্মচারী : স্যার, আজ দুপুরের পর আমাকে কিছুক্ষণের জন্য ছুটি দেবেন?

বস : কেন?

কর্মচারী : আমার স্ত্রীকে নিয়ে একটু শপিংয়ে যাব।

বস : না, কোনো ছুটি হবে না।

কর্মচারী : আপনি আমাকে বাঁচালেন, স্যার। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!


প্রথম বন্ধু : কী রে, এত ভালো চাকরিটা ছেড়ে দিলি। ব্যাপার কী?

দ্বিতীয় বন্ধু : আর বলিস নাদোস্ত, খবর পেলাম ওই চাকরিরনাকি কোনো ভবিষ্যৎ নেই।

প্রথম বন্ধু : মানে?

দ্বিতীয় বন্ধু : মানে বসের সুন্দরী মেয়েটার বিয়ে হয়ে গেল তো!